“এখনো ধরা ছোঁয়ার বাহিরে পতিত সরকারের দোসররা”
সাভার প্রতিনিধি
পতিত আওয়ামী সরকারের সময় দুর্দান্ত প্রভাবশালী নেতা বর্গ বর্তমানে আত্মগোপনে থাকছেন। ৫ আগস্টের পূর্বে সাভারের রাজিব সমরের নামে বাঘে মহিষে একঘাটে জল খেত। তার চামচা রা তার চেয়ে কম করেনি উপজেলা ছাত্র লীগের আতিকের কথা সবারই জানা এদের বিরুদ্ধে অনেক বার টিভি ও পত্রিকায় সংবাদ হলেও অজানা কারনে কোন প্রকার আইনি ব্যাবস্থা নেওয়া হয়নি। এরকম অনেক উদাহরন রয়েছে। রাজিব -সমর ছারাও পতিত সরকারের অনেক প্রভাব সালী নেতা রয়েছে যারা আজো ধরা ছোয়ার বাহিরে। গোপালগঞ্জের রাসেল, জাহিদ, চাদপুরের খোকন অন্যতম এদের সহযোগী মির্জাপুরের শিপু, তারিক, গিয়াস সহ অনেকেই। গোপালগঞ্জের রাসেল এমন এক ব্যাক্তি ছিলেন যে পতিত সরকারের প্রভাবশালি প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকের মন্ত্রীত্ব পর্যন্ত খেয়েছিলেন। কোন টাকা না নিয়ে তার পছন্দের কয়েজনকে সংসদ সদস্যে মনোনয়ন নিয়ে দিয়েছেন এর মধ্যে চট্টগ্রামের দুই জন ও উত্তর বঙ্গের কয়েজন। উত্তর বঙ্গের এক সংসদ সদস্যের সাথে চট্টগ্রামে একটি বড় ধরনের পানি রিফাইনারি প্রজেক্টের সেয়ার হোল্ডার রয়েছেন। চট্টগ্রামে তার রয়েছে কয়েক কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ যা বিক্রি করার জন্য চেষ্টা করছে, সাভারে তার একটি নিটিং ফ্যাক্টরি রয়েছে যা এখন বন্ধ। রাসেলের শক্তি ছিলো অদৃশ্য সে কখোনো কারো সামনে শক্তি বা ক্ষমতা দেখাননি তিনি যা করেছেন গোপনে রাসেল খল নায়ক ডিপজলকে ও ক্ষমতার চ্যালেঞ্জ ছুরে দিয়েছিলেন। তিনি সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের একজন প্রবিন শিক্ষককে তার চাকুরী হইতে অব্যাহতি দিতে বাধ্য করান। জনা যায় যে তার নামে ৫ ই আগস্টের পরে ঢাকায় কয়েকটি মামলা চলমান রয়েছে । জাহিদ ক্ষমতা ও গোপালগঞ্জের প্রভাব খাটিয়ে সাভারে করেছেন ফ্লাট, বাড়ি জাহিদের হাত থেকে রেহাই পাওয়া কস্টের বিষয় ছিল। আর চাদপুরের নিখিলের ভাগিনা খোকন ছিলেন আরো বেপরোয়া তার নামে ও সাভার থানায় কয়েকটি মামলা চলমান রয়েছে। সাভারের বাসিন্দারা বলেন পতিত আওয়ামী সরকারের এসব নেতাদের কে কি কোন আইনের আওতায় আনা হবে না।